ইসলাম বিবাহ সহজ করছে, কিন্তু বর্তমান সমাজ বিবাহ কঠিন করে রাখছে!
সহজ সুন্নাতি বিবাহ দেখার জন্য আজকে ৫ ঘন্টা সফর করেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ তা দেখার সুযোগ ও হইছে।
ভাইয়ের পক্ষ থেকে দেনমোহর ছিলো নগদ ১০ হাজার টাকা। মিষ্টি ৫ কেজি, খেজুর ১ কেজি, এটাই তার বিবাহের খরচ। আর মেয়ের বাবার খরচ বলতে আমরা তিন জন গিয়েছিলাম আমাদেরকে এক বেলা আপ্যায়ন।
ব্যাস বিবাহ শেষ, বারাকাল্লাহ!
সুন্নতি বিয়ের গল্প ১৪/১১/২০২৪
কেমন ভয়াবহ অবস্থা, চিন্তা করা যায়!
মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী। অনেকেই হয়তো চিনেন এই শশ্রুমন্ডিত মানুষটিকে। যারা চিনেন না তাদের কাছে পরিচয় করিয়ে দেয়া যাক। খুব বুদ্ধিমান (!) সৃজনশীল একজন মানুষ। পেশায় একজন সমাজবিধ্বংসী চলচ্চিত্র পরিচালক ও নাটক নির্মাতা । আরেকটি পরিচয় হলো তিনি সময়ের নোংরাধারার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তিশার স্বামী।
খ্যাতিমান এই চলচ্চিত্র পরিচালকের কাজ আমাদের কাছে অন্য দশজন বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালকের কাজের চেয়ে একটু বেশী জঘন্য মনে হয় । অবাক বা ক্ষুব্ধ হচ্ছেন এ কথা শুনে? বলতে পারেন উনার ছবিতে তো আইটেম সং বা অত্যধিক নগ্নতা থাকে না , তাহলে এতো মানুষ রেখে তার পেছনে লাগলাম কেন? হ্যাঁ প্রশ্ন আশা খুব স্বাভাবিক। তবে আমি মনে করি সুন্দর সামাজিক পরিবেশ ধ্বংসে এই ভদ্রলোক বেশ ভালো ভূমিকা রেখে চলেছেন এবং সৃজনশীল উপায়ে পারঙ্গমতার সাথে অশ্লীলতা ছড়িয়ে চলেছেন।
আপনারা নিশ্চয়ই ' লিটনের ফ্ল্যাট ' শব্দটি শুনেছেন। আর যারা শুনেছেন তাদের কাছে তো আর অর্থ ভেঙে বলার প্রয়োজন নেই। এ জনপ্রিয় নোংরা টার্মটি বাংলা ভাষায় আসলো কোথা থেকে ? বা কে এর উদ্ভাবক ? হ্যাঁ,
যিনি এনেছেন তিনিই হচ্ছেন এই ফারুকী । ২০০৩ সালে রিলিজ হওয়া তার প্রথম চলচ্চিত্র 'ব্যাচেলর 'ছবিতে এ টার্ম প্রথম ব্যবহৃত হয় । ছবিটিতে একজন মেয়ে বিয়েতে আগ্রহী নয় আর তার সাথে একঝাঁক ছেলে বন্ধুর ( হে হে জাস্ট ফ্রেন্ড আরকি!) নানামুখী সম্পর্ক বর্ণিত হয়েছে । আর তাকে মাঝে মাঝে ' লিটনের ফ্ল্যাটে ' যাবার অফার দেয়া হয় । সোজা বাংলায় বিয়ে বাদ দিয়ে লিভটুগেদারের নরমালাইজেশন করার কোশেশে ভরপুর ফিল্ম ।
পরবর্তীতে রিলিজ করেন তার আরো জঘন্য গল্প নির্ভর চলচ্চিত্র 'থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার' চলচ্চিত্রটি । এখানে পরকিয়া করাকে খুব মহিমান্বিত বা একদম স্বাভাবিক চাহিদা হিসেবে উপস্থাপন করা হয় । মেনে নেয়ার সবক দেয়া হয় একজন মা' ও তো মানুষ, তাই তার পরকিয়া করা খারাপ কিছু নয় । ফারুকী সাহেবের পরকিয়া প্রমোট করার হটাৎ কী প্রয়োজন পড়ে গেলো ? হয়তো তিনিই ভালো বলতে পারবেন ।
তার অন্যতম বৈদেশিক প্রশংসা কুড়ানো চলচ্চিত্র হচ্ছে ' টেলিভিশন ' । সেখানে দেখানো হয় একজন টেলিভিশন রাখার বিরোধী রক্ষণশীল মুসলিমও শেষ পর্যন্ত বুঝতে পারে টেলিভিশন রাখার গুরুত্ব । টেলিভিশনের গুরুত্ব বোঝানোর কারণ হয়তোবা বুঝতে পেরেছি, টেলিভিশন না থাকলে তো ফারুকীর এসব সামাজিক (!) ফিল্ম মানুষ দেখে সচেতন হতে পারবে না ।
তার আরেকটি সুপরিচিত চলচ্চিত্র হলো সদ্য প্রয়াত ভারতীয় অভিনেতা ইরফান খান অভিনীত 'ডুব' চলচ্চিত্রটি । এখানে গল্পটি তৈরি হয়েছে পরিবারের প্রধান সদস্যের মৃত্যুর পরে দুইটি পরিবারের অটুট বন্ধনের কাহিনী নিয়ে। যেখানে একজন মধ্যবয়স্ক লেখক এক তরুনীর প্রেমে পড়েন যিনি তার মেয়ের বন্ধু। বাহ! এক ফিল্মে মাকে দিয়ে পরকিয়া ! আরেকটিতে বাবাকে দিয়ে মেয়ের বান্ধবীর সাথে প্রেম ! অসামাজিক বাংলাদেশের মানুষকে সামাজিক করার খুব সুন্দর প্রয়াস তো!!!
সর্বশেষ যে ছবিটি সেন্সর বোর্ডে মুসলিমদের প্রতিবাদের মুখে আটকে আছে , সেটা হলো হলি আর্টিজেনের হামলার ঘটনা উপর নির্মিত । সে সেখানে ইসলামের উপর কি আঘাত করা হয়েছে আল্লাহই জানেন , সেন্সর বোর্ড পর্যন্ত সাহস করছেনা প্রচারের অনুমতি দিতে। ফারুকী সাহেব তো নাছোড় বান্দা এটা রিলিজের জন্য শুকনা কোমরে দড়ি বেঁধে নেমেছেন । যে করেই হোক ছবির মুক্তি চান!! চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ।
এতো গেলো ফিল্মের কথা , নাটকের কথা না হয় থাক । আর তার প্রায় সকল চলচ্চিত্রেই প্রধান নারী চরিত্রে ছিলো তার ওয়াইফ তিশা । আর এই তিশাই দুই বছরের আগে অভিনয় করেছিলো সমকামীদের অধিকার (!) বিষয়ক প্রথম বাংলাদেশি নাটকে ।
হাজব্যান্ড-ওয়াইফ মিলে ভালোই শুরু করেছেন । অবশ্য বাঙালিদের যাতে উঠাতে চেষ্টার ত্রুটি করছেন বলার সুযোগ নেই । এজন্য প্রমোট দেয়া শুরু করেছেন , পরকিয়া, লিভটুগেদার, সমকামীতা, অসংলগ্ন প্রেম ইত্যাদি । ডাইলোগে তো সুক্ষ্মভাবে ইসলামী কালচারের উপর আক্রমণ থাকছেই । এদিকে এশিয়া সিনেমা ফান্ড ফর পোষ্ট-প্রোডাকশন এওয়ার্ড সহ তার দেশি-বিদেশি এওয়ার্ডের অভাব নেই । কোন বাংলাদেশী পরিচালক এত আন্তর্জাতিক সম্মাননা পুরস্কার পেয়েছেন বলে আমাদের জানা নেই । আর ফারুকী হয়ে উঠেছেন তরুণ পরিচালকদের আইডলে ।
অশ্লীলতার প্রসার ও সামাজিক বিপর্যয় সৃষ্টির এই কারিগররাই যখন জাতির সেলিব্রিটি , আইডল ।পরিবারে ভাঙন , দাম্পত্য কলহ , ব্যভিচারের পক্ষে জনমত গড়ে তুলছে এ ফারুকীরা । দুঃখজনক হলেও সত্য আমরা তুচ্ছ বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে খুব কাঁদা ছোড়াছুড়ি করতে পারি কিন্তু জাতির শত্রুদের চিনতেও পারি না । এদের বিরুদ্ধে কথা বলার মতো দেশে কোন মানুষ নেই । তখন ভবিষ্যত বাংলাদেশ আরো খুব সুন্দর হবে বলে আশা করতেই পারি !
[সংগৃহিত]
[ সত্যতা যাচাইসহ বিস্তারিত জানতে উইকিপিডিয়ার সহায়তা নিতে পারেন ]
@highlight
"এই যুবক আমাদের পিতাকে হত্যা করেছে। আমরা এর বিচার চাই।"
দোষী যুবককে টেনে-হিঁচড়ে খলীফার দরবারে নিয়ে এসেছেন দুই ব্যক্তি। তারা তাদের পিতার হত্যার বিচার চান।
খলীফা হযরত উমর ফারুক রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু সেই যুবককে জিজ্ঞেস করলেন যে তার বিপক্ষে করা অভিযোগ সত্য কিনা। অভিযোগ স্বীকার করল যুবক। দোষী যুবক সেই ঘটনার বর্ণনা দিলঃ
"অনেক পরিশ্রমের কাজ করে আমি বিশ্রামের জন্য একটি খেজুর গাছের ছায়ায় বসলাম। ক্লান্ত শরীরে অল্প সময়েই ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার একমাত্র বাহন উটটি পাশে নেই। খুঁজতে খুঁজতে কিছু দূর গিয়ে পেলাম, তবে তা ছিল মৃত। অভিযোগকারী এই দুই ব্যক্তির বাবাকে আমার মৃত উটের পাশে পেলাম। সে আমার উটকে তার বাগানে প্রবেশের অপরাধে পাথর মেরে হত্যা করেছে। এই কারণে আমি হঠাৎ করে রাগান্বিত হয়ে পড়ি এবং তার সাথে তর্কাতর্কি করতে করতে এক পর্যায়ে মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করে ফেলি। ফলে সে সেইখানেই মারা যায়। যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঘটে গেছে। এর জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।"
বাদী’রা জানালেন- "আমরা এর মৃত্যুদণ্ড চাই।" সব শুনে হযরত উমর রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু অপরাধী যুবককে বললেন, "উট হত্যার বদলে তুমি একটা উট দাবি করতে পারতে, কিন্তু তুমি বৃদ্ধকে হত্যা করেছ। হত্যার বদলে হত্যা। এখন তোমাকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে। তোমার কোন শেষ ইচ্ছা থাকলে বলতে পারো।" নওজোয়ান বললো, "আমার কাছে কিছু ঋণ ও অন্যের রাখা কিছু আমানত আছে। আমাকে যদি কিছু দিন সময় দিতেন, আমি বাড়ি গিয়ে আমানত ও ঋণগুলি পরিশোধ করে আসতাম।"
খলিফা হযরত উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) বললেন, "তোমাকে এভাবে একা ছেড়ে দিতে পারি না। যদি তোমার পক্ষ থেকে কাউকে জিম্মাদার রেখে যেতে পারো তবে তোমায় সাময়িক সময়ের জন্য যেতে দিতে পারি।“ নওজোয়ান বললো, "এখানে আমার কেউ নেই যে আমার জিম্মাদার হবে।" যুবকটি তখন নিরুপায় হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।
এই সময় হঠাৎ মজলিসে উপস্থিত একজন সাহাবী হযরত আবু যর গিফারী (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) দাঁড়িয়ে বললেন, "আমি হবো ঐ ব্যক্তির জামিনদার। তাকে যেতে দিন।" আবু যর গিফারীর (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) এই উত্তরে সভায় উপস্থিত সবাই হতবাক। একে তো অপরিচিত ব্যক্তি, তার উপর হত্যার দন্ডপ্রাপ্ত আসামী! তার জামিনদার কেন হচ্ছেন আবু জর!
খলিফা বললেন, "আগামি শুক্রবার জুম্মা পর্যন্ত নওজোয়ানকে মুক্তি দেয়া হলো। জুম্মার আগে নওজোয়ান মদীনায় ফেরত না আসলে নওজোয়ানের বদলে আবু যরকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে।" মুক্তি পেয়ে নওজোয়ান ছুটলো মাইলের পর মাইল দূরে তার বাড়ির দিকে। আবু যর গিফারী (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) চলে গেলেন নিজ বাড়িতে।
দেখতে দেখতে জুম্মাবার এসে গেল। নওজোয়ানের আসার কোনো খবর নেই। হযরত উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) রাষ্ট্রীয় পত্রবাহক পাঠিয়ে দিলেন আবু যর গিফারির (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) কাছে। পত্রে লিখা, আজ শুক্রবার বাদ জুমা সেই যুবক যদি না আসে, আইন মোতাবেক আবু যর গিফারির মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হবে। আবু যর যেন সময় মত জুম্মার প্রস্তুতি নিয়ে মসজিদে নববীতে হাজির হন। খবর শুনে সারা মদীনায় থমথমে অবস্থা। একজন নিষ্পাপ সাহাবী আবু যর গিফারী আজ বিনা দোষে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হবেন।
জুমার পর মদীনার সবাই মসজিদে নববীর সামনে হাজির। সবার চোখে পানি। কারণ দন্ডপ্রাপ্ত যুবক এখনো ফিরে আসেনি। জল্লাদ প্রস্তুত।
জীবনে কত জনের মৃত্যুদন্ড দিয়েছে তার হিসেব নেই। কিন্তু আজ কিছুতেই চোখের পানি আটকাতে পারছে না জল্লাদ। আবু যরের মত একজন সাহাবী সম্পূর্ণ বিনা দোষে আজ মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হবেন, এটা মদীনার কেউ মেনে নিতে পারছেন না। এমনকি মৃত্যুদন্ডের আদেশ প্রদানকারী খলিফা উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) নিজেও চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। হৃদয় তাঁর ভারাক্রান্ত। তবু আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। কারো পরিবর্তনের হাত নেই। আবু যর (রা) তখনও নিশ্চিন্ত মনে হাঁসি মুখে দাঁড়িয়ে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত। জল্লাদ ধীর পায়ে আবু যর (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) এর দিকে এগুচ্ছেন আর কাঁদছেন। আজ যেন জল্লাদের পা চলে না। পায়ে যেন কেউ পাথর বেঁধে রেখেছে।
এমন সময় এক সাহাবী উচ্চ স্বরে জল্লাদকে বলে উঠলেন, "হে জল্লাদ একটু থামো। মরুভুমির ধুলার ঝড় উঠিয়ে ঐ দেখ কে যেন আসছে। হতে পারে ঐটা নওজোয়ানের ঘোড়ার পদধুলি। একটু দেখে নাও।" ঘোড়াটি কাছে আসলে দেখা যায় সত্যিই এ সেই নওজোয়ান।
নওজোয়ান দ্রুত খলিফার সামনে এসে বললো, "আমীরুল মুমিনীন, মাফ করবেন। রাস্তায় যদি আমার ঘোড়া পায়ে ব্যথা না পেত, তবে যথা সময়েই আসতে পারতাম। বাড়িতে গিয়ে আমি একটুও দেরি করিনি। বাড়ি পৌঁছে গচ্ছিত আমানত ও ঋণ পরিশোধ করি। তারপর বাবা, মা এবং নববধুর কাছে সব খুলে বলে চিরবিদায় নিয়ে মৃত্যুর প্রস্তুতি নিয়ে মদীনার উদ্দেশ্যে রওনা দেই। এখন আমার জামিনদার ভাইকে ছেড়ে দিন আর আমাকে মৃত্যুদন্ড দিয়ে পবিত্র করুন। কেননা কেয়ামতের দিন আমি খুনি হিসেবে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে চাই না।"
আশেপাশের সবাই একেবারেই নীরব। চারিদিকে একদম থমথমে অবস্থা। সবাই হতবাক, কী হতে চলেছে! যুবকের পুনরায় ফিরে আসাটা অবাক করে দিলো সবাইকে।
খলিফা হযরত উমর রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু যুবককে বললেন, "তুমি জানো তোমাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে, তারপরেও কেন ফিরে এলে?" উত্তরে সেই যুবক বলল- "আমি ফিরে এসেছি, কেউ যাতে বলতে না পারে, এক মুসলমানের বিপদে আরেক মুসলামান সাহায্য করতে এগিয়ে এসে নিজেই বিপদে পড়ে গেছিলো।"
এবার হযরত উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) হযরত আবু যর গিফারী (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) কে জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি কেন না চেনা সত্যেও এর জামিনদার হলেন?" উত্তরে হযরত আবু যর গিফারী (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) বললেন, "পরবর্তিতে কেউ যেন বলতে না পারে, এক মুসলমান বিপদে পড়েছিলো, অথচ কেউ তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি।"
এমন কথা শুনে, হঠাৎ বৃদ্ধের দুই সন্তানের মাঝে একজন বলে উঠল, "হে খলীফা, আপনি তাকে মুক্ত করে দিন। আমরা তার উপর করা অভিযোগ তুলে নিলাম।"
হযরত উমর রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বললেন, “কেন তাকে ক্ষমা করে দিচ্ছ?” তাদের এক ভাই বলে উঠলো, "কেউ যেন বলতে না পারে, এক মুসলমান অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল করে নিজেই স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার পরেও অন্য মুসলমান তাকে ক্ষমা করেনি।"
একের অধিক বিবাহের দুনিয়াবি ফায়দাঃ
👉১. এক স্ত্রী প্রেগন্যান্ট বা অসুস্থ অবস্থায় থাকলে আপনি অন্য স্ত্রীর সাথে নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন, ফেতনায় পড়তে হবে না।
২. এক স্ত্রী অসুস্থ থাকলে অন্য স্ত্রী রান্নাবান্না সহ বাসার সব কাজ করতে পারবে তৎসঙে সুস্থ স্ত্রী অসুস্থ স্ত্রীরও সেবা করতে পারবে।
৩. স্বামী অফিস বা ব্যবসার কাজে একটু বেশি রাতে বাড়ি ফিরলে সব স্ত্রী মিলে নির্ভয়ে থাকতে পারবে। শত্রু বা তেলাপোকা/টিকটিকি বা ভুতের ভয় থেকে বেচে থাকতে পারবে।
৪. ঘরের কাজকর্ম যেমনঃ ঘর গোছানো, রানাবান্না করা এগিয়ে থাকবে মিলেমিশে সকল স্ত্রী বোনের মত থেকে বাড়িকে সাজিয়ে রাখবে। ফলে সকলের পরিশ্রম কম হবে।
✍️✍️✍️
৫. কোন স্ত্রী শশুরবাড়ি বেড়াতে গেলে অন্য স্ত্রীর সাথে থাকবে, ফলে তার কোন মানসিক উৎকন্ঠা বা ফিতনার ভয় থাকবেনা
৬. মহিলাদের জন্য দাওয়াতি কাজ করার সময় বেশি কাজ করা যাবে
৭. অধিক স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করলে নেকি ও সওয়াব ও অনেক বেশি হবে। একইভাবে অধিক সন্তান নেবার সুযোগ বেশি পাবে, উম্মাহ শক্তিশালী হবে।
৮. চারজন স্ত্রী থাকলে একেক সময় একেক ফুলের স্বাদ নিবে ফলে তার কখনো বাইরের কোন নারীর প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি হবেনা। মানসিক প্রশান্তি বেশী হবে ফলে মন আত্মা তরতাজা ও সবল হবে এবং আল্লাহর রাস্তায় জীবনকে উৎসর্গ করার অদম্য স্পৃহা সৃষ্টি হবে ইনশাআল্লাহ।
৯. একের অধিক স্ত্রী থাকলে প্রত্যেক স্ত্রী স্বামীকে ভালবাসার প্রতিযোগীতা করবে। একে অপরের বেশি ভালবাসায় ইর্ষান্বিত হবে এবং স্বামীকে সর্বোচ্চ উজার করে দেয়ার একটি সুস্থ প্রতিযোগীতা চলমান থাকবে।
১০. অনেকজন স্ত্রী থাকাতে ষোড়শী স্ত্রীও দুই একজন থাকতে পারে। কম বয়সের স্ত্রী থাকাতে পুরুষের যৌবণ সর্বদা টগবগে থাকবে ফলে অপেক্ষাকৃত বেশী বয়সের স্ত্রীদের সাথে যৌন সম্ভোগে কোন দূর্বলতা আসবে না, ফলে সবাই শারীরিকভাবে সুখী থাকবে।
১১. পুরুষ শারিরীক ও মানসিক ভাবে চনমনে থাকলে তার প্রতিদিনের কাজকর্মও সুন্দর হবে, ফলে চাকরি ও ব্যবসায় বরকত হবে।
১২. বর্তমান সমাজে নারীরা অবহেলিত, লান্চিত। বিয়ের সময় কনে পক্ষ হতে বর পক্ষকে যৌতুক দিতে হয়। এমনও দেখা যায় কিছু মেয়ের বাবা তাদের মেয়েকে বিয়ে দিতে ভিক্ষাবৃত্তি পর্যন্ত করতে বাধ্য হন। সমাজের সামর্থ্যবান পুরুষরা যদি আল্লাহর আইন মেনে একাধিক বিয়ে করেন তাহলে এই ঘৃন্যতম যৌতুক প্রথাটি সহজেই বিলুপ্ত হবে।
সুন্নতি বিয়ের গল্প ১৪/১১/২০২৪
ইসলাম বিবাহ সহজ করছে, কিন্তু বর্তমান সমাজ বিবাহ কঠিন করে রাখছে! সহজ সুন্নাতি বিবাহ দেখার জন্য আজকে ৫ ঘন্টা সফর করেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ তা ...
-
আপনি যদি আরেকটা বিয়ে করতে চান, পরবর্তী নতুন বউয়ের বাসা হবে আলাদা । আপনি আরেকজন মেয়েকে বিয়ে করে এনে পুরাতন বউয়ের বাসায় তুলতে পারবেন না । যদ...
-
https://www.facebook.com/reel/965814557872046
-
"এই যুবক আমাদের পিতাকে হত্যা করেছে। আমরা এর বিচার চাই।" দোষী যুবককে টেনে-হিঁচড়ে খলীফার দরবারে নিয়ে এসেছেন দুই ব্যক্তি। তারা তাদের...
